করোনাকে পুঁজি করে যশোরে ২০ লক্ষাধিক টাকার মাস্ক বিক্রি


আব্দুর রহিম রানা , যশোর : করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে যশোর অঞ্চলে অবস্থিত অধিকাংশ ঔষদের দোকান্দারগন সর্বোচ্চ মাত্র ১ টাকা ২০ পয়সার মাক্স ২০ টাকা ও ১০ টাকার মাক্স ৫০ টাকা আর ৩০ টাকার মূল্যের মাক্স ৫০ টাকা থেকে শুরু করে দেড়শ’ এবং তার অধিক দামে বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত দুই সপ্তাহে মাক্স বিক্রি করে যশোরে অবস্থিত ঔষধের দোকান্দারগন প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা অধিক মুনাফা হাতিয়ে নিয়েছেন। করোনা ভাইরাস রোগ ধরা পড়ার পর থেকে যশোর অঞ্চলের প্রায় শতাধিক দোকান্দার মাক্স বিক্রিতে মরিয়া হয়ে উঠেন।

যার কাছে পুরোনো মাক্স যা ক্রয়মূল্য ১ টা ২০ পয়সা তা প্রথম পর্যায় ৩০ টাকা বর্তমানে কিছুটা কমিয়ে প্রতিপিস ২০ টাকা হারে বিক্রি করছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে,যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে যে মাক্স বিক্রি হচ্ছে তার কোন নিয়ন্ত্রন নেই। দোকান গুলোতে ৩০ টাকার মূল্যের মাক্স বিক্রি হচ্ছে ১শ’ থেকে দেড়শ’ টাকার অধিক। এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে মাক্স বিক্রি করে রাতারাতি লাখোপতি হওয়ার আশায় নেমে পড়েছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। সর্বশেষ খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে,যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ঔষধের দোকানগুলির মালিকেরা গত দুই সপ্তায় মাক্স বিক্রি করেছে প্রায় কয়েক লাখ পিস। ঔষধের দোকানগুলিতে মাক্স বিক্রি হয়েছে প্রায় ৫ থেকে ৭ প্রকারের।তবে যে মাক্স সমস্ত নাক ও মুখ বন্ধ করে শ্বাস প্রশাস যাতায়াতের জন্য আলাদা কৌশল রাখা হয়েছে সে মাক্সগুলোর মূল্য বেশী ধরা হয়েছে।

বিভিন্ন রংয়ের উক্ত মাক্স এখন অধিকাংশ মানুষের মুখে স্থান পাচ্ছে। তাছাড়া,টিস্যু পেপার বেষ্টিত তৈরী করা মাক্সএখন বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। যা আগে প্রতিপিসের মূল্য ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। সূত্রগুলো আরো জানিয়েছেন,মাক্সের বাজারে এখন রমরমা ব্যবসা চলছে। ঔষধের দোকানের পাশাপাশি যশোরের অধিকাংশ দোকানগুলিতে মাক্স রেখে চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে। যশোর বাজারে বর্তমানে যে মাক্স পাওয়া যাচ্ছে তা গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তার কারণ মাক্স বিক্রির প্রতিষ্ঠানের কোন সীল সিম্বল নাই। তাছাড়া,তৈরীকৃত মাক্স কোথা থেকে আনা হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন যশোরের সচেতন নাগরিক।

বাজারের বিক্রয়কৃত মাক্স স্বাস্থ্য সম্মত কিনা তা খতিয়ে দেখার কেউ নেই। মাক্স হলে মানুষেরা ক্রয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। নিয়ন্ত্রনহীনভাবে মাক্স বিক্রির ফলে জনসাধারণ প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেকে বাজার থেকে ক্রয়কৃত মাক্স ব্যবহার করে দিনদিন দারুণভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। অনেকে মাক্স পরে মাথা যন্ত্রনাসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তাই অবিলম্বে মাক্স বিক্রির ক্ষেত্রে একটি সুর্নিদিষ্ট নীতিমালাসহ প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগীরা।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]