কিশোরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২

  • 5
    Shares

কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় এক পক্ষের গুলিতে শরীফ (৩৫) ও ফোরকান (২৮) নামে দুইজন নিহত হয়েছে। এছাড়া অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে শাহ জামাল (৩৫) নাম একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে প্রাণঘাতী এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে নিহতদের মধ্যে শরীফ শ্যামপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে এবং ফোরকান একই গ্রামের লাহুত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাইজচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শ্যামপুর গ্রামের মো. বাক্কার মিয়ার সাথে একই গ্রামের ফারুক মিয়ার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে ইউপি সদস্য বাক্কার মিয়ার ছোট ভাই মোল্লাকে গ্রামের রাস্তায় পেয়ে ফারুক মিয়ার লোকজন মারপিট করে। মোল্লা বাড়িতে গিয়ে মারপিটের বিষয়টি জানায়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য বাক্কার মিয়ার পক্ষের লোকজন এগিয়ে গেলে ফারুক মিয়ার লোকজন তাদের উপর বন্দুক দিয়ে গুলি চালায়। গুলিতে ইউপি সদস্য বাক্কার মিয়ার পক্ষের ফোরকান ঘটনাস্থলেই নিহত হয় এবং অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়।

আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্য বাক্কার মিয়ার ছোট ভাই শরীফকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া পেটে গুলিবিদ্ধ শাহ জামালকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

বাজিতপুর থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া নিহত দুই জনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।


  • 5
    Shares

বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।