চরফ্যাশনে রেনু পোনা পাচারের দায়ে একজনের কারাদন্ড


চরফ্যাশন : বাগদা চিংড়ির রেনু পোনা ধরার অপরাধে আবুল কাশেম (২৮) নামের একজনকে আটক করে এক বছরের সাজা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রুহুল আমিন তার কার্যালয়ে এ আদেশ দেন।

জানা যায়, চরফ্যাশন উপজেলার মাদ্রাজ নতুন স্লুইজ মৎস্য ঘাটের একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ মেঘনা নদী থেকে রেনু চিংড়ি পোনা ধরে কুদ্দুস নামক মৎস্য আড়তে মুজদ করে। মেঘনার অববাহিকায় গড়ে উঠা অন্যান্য মৎস্য ঘাটের মৎস্য শিকারীরাও ওই মৎস্য আড়তে রেনু এনে মজুদ করে রাখে। এরপর ভোলা জেলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, বোরহানউদ্দিন এবং বরিশাল ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রেনু পোনা পাচার করার জন্য রাতে ও দিনে যেকোন সময় বিভিন্ন ট্রাক ও পিকআপ এসে হাজির হয়।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে রেনু পোনা লোড অবস্থায় তজুমদ্দিন রওনা দিলে ভেড়িবাধে অবৈধ গাড়ী রেখে গাড়ীর লোকজন পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় পাচারকারীদের ম্যানেজার ও স্থানীয় হামিদপুর এলাকার সাহেব আলী মাঝির ছেলে আবুল কাশেমকে আটক করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, মাছগুলো খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এভাবেই রপ্তানি করা হচ্ছে প্রতিদিন। এসব কাজের মূল হোতা হচ্ছে লুৎফুর দেওয়ান নামের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী।

ঘটনাস্থল থেকে নির্বাহী অফিসার প্রায় লক্ষাধিক রেনু পোনা বেতুয়া লঞ্চঘাটের নদীতে অবমুক্ত করে দেয়। এরপর আবুল কাশেমকে আটক করে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মৎস্য সংরক্ষণ ও নিধন আইনে ১ বছরের কারাদন্ড প্রদান করে।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]