দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী

তাজউদ্দীন আহমদের ৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ


জাতীয় নেতা এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দরদরিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

তার বাবা মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াসিন খান এবং মাতা মেহেরুন্নেসা খানম। তাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা, সততা ও আদর্শবাদের অনন্য এক প্রতীক।

১৯৪৪ সালে বঙ্গীয় মুসলীম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তাজউদ্দীনের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর প্রতিটি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা কর্মসূচির অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর সরকারের অর্থ মন্ত্রী হন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর তাজউদ্দীন আহমদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি করা হয়।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারা অভ্যন্তরে অপর তিন নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানের সঙ্গে তাজউদ্দীন আহমদকেও হত্যা করা হয়। তার ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে। তারা হলেন- বড় মেয়ে শারমিন আহমেদ রিপি, মেজ মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি এমপি, ছোট মেয়ে মাহজাবিন মিমি ও একমাত্র ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

তাজউদ্দিন আহমদের জন্মবার্ষিকীতে প্রতিবারের মত আজ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এছাড়া তার জন্মস্থান কাপাসিয়ায় নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে আজ।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]