তাহিরপুরে বাতিজার কোপে চাচা গুরুত্বর আহত


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাতিজা শিপুর দায়ের কোপে চাচা সাজ্জাদ হোসেন শাহ গুরুত্বর আহত হয়েছে। এছাড়াও সন্ত্রাসী আজাদ তার সন্তান শিপু দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে ও লাঠি দিয়ে বেধরক পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। হামলায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাহিরপুর থানা,বাদাঘাট ক্যাম্পের কর্মরত পুলিশ সদস্য,চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্য ব্যাক্তিগন গিয়ে সাজ্জাদকে উদ্ধার করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনার পরও কোন বিচার না হওয়ায় আবারও বড় ধরনের দূঘটনার আশংকা রয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।


ঘটনাটি ঘঠে গত ২আগষ্ট শুক্রবার রাত ১০টায় আহত সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন শাহ নিজ বাড়িতে। তিনি ভোরের কাগজ,সুনামকণ্ঠ পত্রিকার তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্ধ গ্রামের মৃত হাজী বৈধ মিয়ার ছেলে। এঘটনায় গুরুত্ব আহত সাজ্জাদকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রের্ফাড করা হয়। জানাযায়,সন্ত্রাসী হাবিব সারোয়ার আজাদকে কিছু দিন পূর্বেও ৩৫০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে শিমুলতলা গ্রামের স্থানীয় জনগন পুলিশে সোর্পদ করে। এছাড়াও উপজেলার চিহ্নিত ও আলোচিত প্রধানমন্ত্রীর পোষ্টার আগুনে পুরানো,হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি কালী মূতি ভাঙ্গা,সীমান্তের চাদাঁবাজী,ইয়াবা ট্যাবলেট,শিশু বলৎকার,সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের হুমকিসহ প্রায় ১০-১২বিভিন্ন মামলা ও বিভিন্ন দপ্তরে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ ও থানায় জিডি এন্টি রয়েছে তার বিরোদ্ধে। সে সরকার ও প্রশাসন বিরোধী কাজ করলেও প্রশাসনের বিভিন্ন স্থরের কর্মকর্তাদের সাথে রয়েছে সুসম্পর্ক তাই যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াচ্ছে।

তাহিরপুর থানা পুলিশ জানায়,র্দীঘ দিন ধরেই পরিবার ও নিজেদের আদিপাত্য নিয়ে এছাড়াও সন্ত্রাসী হাবিব সারোয়ার আজাদ ও সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন শাহর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে কথা কাটাকাটির এক প্রর্যায়ে সন্ত্রাসী হাবিব সারোয়ার আজাদ সাজ্জাদকে ধরে রাখে আর তার ছেলে শিহাব সারোয়র শিপু দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিঠিয়ে গুরুত্ব আহত করে সাজ্জাদকে। এরপর আজাদও সাজ্জাদকে দা দিয়ে কোপায়। এসময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে আসলে তাদের উপরও চড়াও হয় আজাদ ও তার ছেলে শিপু। এসময় পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যগন আহত হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগনের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

এরপর সাজ্জাদকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাঃ সুমন বর্মন তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রের্ফাড করা হয়। তিনি জানান,আহত সাজ্জাদের ডান হাত ও শরীলের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্ব আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা তা নোট করে রেখেছি।শফিকুল ইসলাম,রফিকুল,আলম মিয়াসহ স্থানীয় এলাকাবাসীসহ অনেকেই জানান,আজাদ নিজের স্বার্থের কারনে যে কোন কাজ করতে সে পিচপা হয়। তার বিরোদ্ধে কথা বলায় তার আপন ভাইকে তার ছেলে শিপুকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিঠিয়ে গুরুত্বর আহত করে। বিরোদ্ধে কথা বলার কারনে নিরীহ মাইটিভি ও মানবকণ্ঠ পত্রিকার সাবেক সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়াকে ঘায়েল করার জন্য একটি পরিকল্পিত কথিত এসিড নিক্ষেপের মামলা দায়ের করে। সাজ্জাদকে হামলা করার পরও কোন বিচার না হওয়ায় আবারও বড় ধরনের দূঘটনার আশংকা রয়েছে।

তাহিরপুর থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ জানান,ঐদিন আমরা পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। না হলে বড় ধরনের দূঘটনা ঘটত। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান-ঐ ঘটনার বিষয়ে এখনও লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ থানায় আসে নি।


বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।