দরবারের কোন্দলে খুন—মামলার আসামী হলো ১০জন


ঝালকাঠির নলছিটিতে দরবার শরীফের আধিপত্য বিস্তারিতকে কেন্দ্র করে মরহুম পীরের পুত্র সজলকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় নাম উল্লেখ করে ৬ জন ও অজ্ঞাতনামা ৪ জনসহ মোট ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর রাতে নিহত সজলের বড় ভাই স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মাহফুজ দেওয়ান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় নলছিটির মালিপুর কাদেরিয়া দরবার শরীফের বর্তমান পীর মাও: আনোয়ার হোসেন দেওয়ানের পুত্র একিন দেওয়ানকে ১নং আসামী, পীর আনোয়ার দেওয়ানের দুই ভাই আবুল দেওয়ান ও আরিফ দেওয়ান, ফুফাতো ভাই ওসমান দেওয়ান, ওই দরবারের পাহারাদার ও সব সময়ে অবস্থানকারী মিন্টু ও তৈয়ব আলীকে আসামী করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে মামলার বাদী মাহফুজ দেওয়ান জানিয়েছেন।

মাহফুজ দেওয়ান জানিয়েছেন, তার পিতা মরহুম আমীর হোসেন দেওয়ান ছিলেন ওই দরবারের পীর। তার পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে তার তিন চাচা মাও: আনোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন ও আরিফ বিল্লাহ দরবারের একচ্ছত্র দখল নিয়েছে। এতে পীর পুত্র হিসেবে আমি ও আমার ভাই প্রতিবাদ করলে আমাদের উপর কয়েকবার হামলা চালায় ও হত্যার চেষ্টা করে। সর্বশেষ গত ৯ নভেম্বর দুপুরে মাহফুজ দেওয়ানকে হত্যার চেষ্টা চালালে গ্রামবাসী ৫ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর তার ছোট ভাই সজল দেওয়ানকে পরিকল্পিতভাবে রাতের আধাঁরে শয়ন কক্ষে জবাই করে হত্যা করে।

অপরদিকে ওই দরবারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সজল তার চাচা বর্তমান পীর মাও: আনোয়ার হোসেন দেওয়ানকে কুপিয়ে মারাত্নক জখম করে। এতে সজলকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। বেশ কিছুদিন পূর্বে সজল দেওয়ান জামিনে বের হয়।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]