ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন, প্রতি হেক্টরে ফলন হবে ৭.৭ মেট্রিক টন

  • 10
    Shares

ঢাকা: উচ্চ ফলনশীল বায়োফোর্টিফাইড জিংক ধানের জাত বারি ধান১০০ চাষের অনুমোদেন দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় বীজ বোর্ড। পুষ্টিসমৃদ্ধ ধানের জাতটি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিআরআরই)। এ জাতের বীজ উৎপাদনে সহায়তা করেছে হারভেস্টপ্লাস।

এই নতুন জাতের ধানে প্রতি কেজিতে জিংক থাকবে ২৫.৭ মিলিগ্রাম। আগের জিংক জাতগুলোর চেয়ে এটা অনেকটা চিকন এবং রান্নার সময় তা আঠালো হবে না।

সারাদেশের ভিন্ন দশটি অঞ্চলে চাষ করে দেখা গেছে, এ্ জাত চাষে প্রতি হেক্টরে ফলন হবে ৭.৭ মেট্রিক টন। ১৪৮ দিনে এর ফলন আসবে এবং তা বোরো মৌসুমে চাষ করা যাবে। যা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির শুষ্ক মৌসুমে লাগিয়ে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে কাটা যাবে।

বিআরআরই মহাপরিচালক ড.মুহাম্মদ শাহজাহান কবির জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতাবার্ষিকী উদযাপনে এর নাম বারি ধান১০০ রাখা হয়েছে।

ড. কবির জানান, বারি ধান২৯ থেকেই এই জাত বেশি ফলনশীল এবং মেয়াদকাল বারি ধান২৮ এর সমান। তিনি আরও বলেন, পুষ্টিসমৃদ্ধ হওয়ায় আমাদের উদ্দেশ্য হলো খুব দ্রুত এই জাতটি কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় করা।

জাতীয় বীজ বোর্ডের সভাপতি কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম বলেন, আশা করি এটি একটি জনপ্রিয় জাত হবে। দেশের দরিদ্র মানুষের ডায়েটে বেশিরভাগ ক্যালোরি, প্রোটিন এবং খনিজগুলি চাল থেকে আসে। এ জাতে সেটা অনেক বেশি পরিমাণে আছে।


  • 10
    Shares

[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]