নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়ে বরিশাল ছাড়লো ৪ লঞ্চ


ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর আশঙ্কায় সারাদেশের টার্মিনাল থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলেও ব্যত্যয় ঘটেছে বরিশাল লঞ্চঘাটে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে গেছে চারটি লঞ্চ। লঞ্চগুলো হলো এমভি মানামী, পারাবাত-১২, সুরভী-৯, সুন্দরবন-১০। তবে ছেড়ে যায়নি ফারহান-৮, এ্যাডভেঞ্জার-৯, পারাবত-৯ ও কীর্তনখোলা-২ লঞ্চগুলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল সদর নৌ-পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, লঞ্চ ছাড়া না ছাড়ার কর্তৃত্ব বন্দর কর্মকর্তার। আমরা শুধুমাত্র নিরাপত্তার কাজে সহায়তা করতে পারবো। বাকি সিদ্ধান্ত তাদের।

এ বিষয়ে বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা (যুগ্ম পরিচালক) আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ঢাকা থেকে কোন লঞ্চ ছাড়েনি। কিন্তু বরিশাল থেকে চারটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে গেছে। এর বাইরে তিনি কিছু জানানি।

ওদিকে সারাদেশের নৌযান বন্ধ করার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনালের নৌযান পরিদর্শক শাহনেওয়াজ। তিনি বলেন, ‘দুপুর ১২টা থেকে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলসহ কয়েকটি রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।’

এর আগে আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই সদরঘাট টার্মিনাল থেকে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের হাতিয়া, বেতুয়া, রাঙ্গাবালীসহ কয়েকটি রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে এই রুটের যাত্রীরা বিপাকে পড়েন।

বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতের আশঙ্কায় আজ দুপুর ১২টা থেকে সমুদ্র উপকূল অঞ্চলগামী সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]