প্রবল বর্ষণে বরগুনার উপকূল ক্ষতিগ্রস্ত


বরগুনা : টানা বৃষ্টির কারণে পানিতে ডুবে গেছে বরগুনা পৌরসভাসহ আশপাশের অনেক এলাকা। থেমে গেছে সব কাজকর্ম। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এখানের জীবনযাত্রা।

টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে সদর উপজেলা বরইতলা, পোটকাখালী বাওয়ালকার, খাজুরতলা, পৌর শহরের কলেজ ব্রাঞ্চ, ডিকেপি রোড, কেজি স্কুলসড়কসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। তালতলী উপজেলার মালিপাড়া, নয়াপাড়া কাজির খাল, ফকিরহাটসহ নিম্নাঞ্চল। জমির ধান বাতাসে নুইয়ে পড়েছে। মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী উপজেলা নিম্নাঞ্চলও ভারী বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া পায়রা-বলেশ্বর ও বিষখালী প্রধান তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিম্নচাপ ও ভারী বর্ষণে নদীর পানি তিন ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

বরগুনা সদর উপজেলা খাজুরতলা গ্রামের রাসেল জানালেন, তাদের দুটি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ফলে ৫০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

আমতলীর টেপুড়া গ্রামের পানের বরজের মালিক ও মৎস্যচাষি মো. আবু ছালেহ বলেন, ‘অতিবর্ষণে মাছের ঘের ও পানের বরজ তলিয়ে গেছে। ঘের থেকে অনেক মাছ বের হয়ে গেছে।’

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার সি এম রেজাউল করিম বলেন, ‘আমন ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। তবে সবজির খেতে কিছু ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আমাদের ৫০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যদি সংকেত আরও বাড়ে তাহলে উপকূলের মানুষকে আমরা নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে আসব। এ ছাড়া বন্ধ থাকা স্কুল–কলেজগুলো মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা জেলা শহরের সঙ্গে উপজেলাগুলোর খেয়াপারাপার বন্ধ করে দিয়েছি। আবহাওয়া শান্ত হওয়ার পর খেয়ায় যাত্রী পারাপার শুরু হবে।’


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]