প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ


কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) বিকালে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ মধ্যপাড়া গ্রামে ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্ত।

জানা যায়, স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। বর একই উপজেলার বুরুদিয়া এলাকার বাসিন্দা। বাল্যবিবাহের আয়োজন শুরু হওয়ার পর এ খবর জানতে পারেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্ত। পরে তিনি পুলিশ ও সুখিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ টিটুকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে হাজির হন।

তাদের যাওয়ার খবর পেয়ে আগেই কৌশলে বিয়ে বাড়ি থেকে সরে পড়ে বর পক্ষ। পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্ত ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা-মাকে বাল্য বিবাহের কুফল ও আইনি বাধ্য বাধকতা সম্পর্কে জানান।

এ সময় মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে দেওয়া হবে না বলে মুচলেকা দেয় পরিবার।

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্ত বলেন, বাল্যবিবাহের আয়োজনের খবর পেয়ে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে ছুঁটে যান। এ সময় বর পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি।

ওই স্কুল ছাত্রী প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে দেওয়া হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা দেয় মেয়েটির পরিবার। ছাত্রীটি নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে কিনা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে সে ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা হবে বলেও স্বপন কুমার দত্ত জানান।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]