ফতুল্লার গার্মেন্টকর্মী গণধর্ষণ প্রধান আসামী গ্রেফতার


পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গার্মেন্টসকর্মী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী সুমনকে (২৬) ভাণ্ডারিয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় ফতুল্লা থানা পুলিশ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার লক্ষীপুরা এলাকার তার শ্বশুরবাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, গত ৭ জুন এক গার্মেন্টসকর্মী তার বন্ধু শামীমকে নিয়ে তার বান্ধবী মৌসুমীর বাসা নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানার ধর্মগঞ্জ আরাফাত নগরের বেড়াতে গিয়ে বিকেলে ঘুরতে বেরহয়। এসময় সন্ধ্যা হয়ে গেলে মেয়েটি বাসায় ফিরতে চাইলে তার বন্ধবী জানায়, আরও সুন্দর স্থানে তারা ঘুরতে যাবে।

কৌশলে মেয়েটিকে ফতুল্লা এলাকার বক্তাবলী নদীর পার্শ্বে সেলিম উদ্দিনের ইটের ভাটার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় গার্মেন্টসকর্মীর বন্ধু শামীমকে আটকে ফেলে জোরপূর্বক বখাটে সুমন, ইমরানসহ ৫ বখাটে মিলে মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে। এসময় সুমন ও ইমরান মেয়েটির মায়েরকাছে মোবাইল ফোনে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবী করে।

রাত সোয়া ১০টার দিকে মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটি বাদী হয়ে তার বান্ধবী মৌসুমীসহ ৪ জনকে চিহ্নিত এবং অজ্ঞাত আরও ৩ জনসহ মোট ৭ জনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ফতুল্লা থানার ইনসপেক্টর) মো. আজিজুল হক জানান, এ মামলা প্রধান আসামী সুমনকে ভাণ্ডারিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে তার বন্ধবী মৌসুমীসহ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ঘটনার পর থেকে সুমন ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের লক্ষিপুরা গ্রামের তার শ্বশুর হারুন বেপারীর বাড়ীতে আত্মগোপন করেছিল। ধর্ষক সুমন পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধূলাসর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। এক সন্তানের জনক।


বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।