লালপুরের

ফুটবলার গনেশ দাসের পাশে দাঁড়ালেন প্রাকৃর্তি ফাউন্ডেশন


নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুর উপজেলার তুখোড় ফুটবলার গনেশ দাস বয়সের ভারে অসুস্থ হয়ে পড়ার কারনে তাহার চিকিৎসার জন্য সমাজের বৃত্তবান সূধীগন কে গনেশ দাসের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষে আলোর বার্তা, বরিশাল ট্রিবিউন, নিউজ ঢাকা-২৪ ডটকম সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদটি প্রকাশ করা হলে বিষয়টি প্রাকৃর্তী ফাউন্ডেশনের নজরে পড়ে।

প্রকাশিত সংবাদটি নিম্নরূপঃ ক্রীড়াঙ্গনে মাঠ কাঁপানো ফুটবলার লালপুরের গণেশ,অর্থ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা মানুষের জীবন বড়ই বিচিত্র। কেউ জন্মগ্রহণ করে রাজার রাজপ্রাসাদে। আবার কেউ জন্মগ্রহণ করে দুঃখের কুটিরে।

গণেশ ছোট্ট ঘরে জন্মগ্রহণ করলে হবে কি তার ফুটবল প্রতিভা তাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল উচ্চ আসরে। সকল মানুষের মণিকোঠায় স্থান পেয়েছিল একদিন। সেই গণেশ এখন রোগে-শোকে অভাব-অনটনের কারণে বিপর্যস্ত বিছানায় শুয়ে আছে হতাশার কাফনে জড়ানো একটি জীবন্ত লাশ। যে গণেশ কে দেখার জন্য বা যার খেলা দেখার জন্য নাটোরের লালপুর উপজেলার মানুষগুলো পাগলপারা ছিল তারা কি গণেশকে একেবারেই ভুলে গেছে? বলছি সত্তর আশি দশকে মাঠ কাঁপানো নাটোর জেলার অন্যতম সেরা ফুটবলার শ্রী গণেশ চন্দ্র দাস(৭২)’র কথা। খেলেছেন বাংলাদেশ পুলিশ, রাজশাহী দিগন্ত প্রসারী, ঈশ্বরদী ব্রাদার্স ইউনিয়ন, নাটোর জেলা দলসহ বিভিন্ন ক্লাবে।

গত বছর দশেক আগে স্ট্রোক জনিত কারণে অসুস্থ হন তিনি। আবার ১৬-১৭ দিন আগে পুনরায় স্টোক করেন। সেই থেকে বিছানায় পড়ে আছে গণেশ। নাটোর জেলার কৃতি এই ফুটবলারের চিকিৎসার খরচ মিটাতে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার, ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। এমন পরিস্থিতিতে পাশে পায়নি কোনো ক্রিড়া সংগঠন বা সরকারি অনুদানও।

বিছানায় শয্যাশায়ী গণেশ মৃদু কন্ঠে জানায়, দিন দিন তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসা করালে তিনি আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। এ সময় আর্থিক সংকটের কারণে তার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না জানিয়ে সবার সহায়তা চান তিনি।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুর রশিদ মাষ্টার জানান, যার দু পায়ে ছিল বার পোস্টের জাল ছেঁড়ার হিট। সেই পা‌ দিয়ে আজ তিনি হাঁটতে ও পারছেন না। সবই নিয়তি। সেই গণেশ আজ বিছানায় শুয়ে শুয়ে কাতরাচ্ছে। কোন কোন মাঠে গণেশ দা খেলবেন জানলে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় থাকতো দর্শকের। আজ সবাই গণেশ দা কে ভুলে গেছে। মুছে গেছে গণেশ দার সকল অতীত।

সংবাদটি নজরে নিয়ে সেই গনেশ দাসের পাশে দাঁড়াতে কিছু নগদ অর্থ নিয়ে (১৬ই সেপ্টেম্বর) বুধবার ছুটে আসে প্রাকৃর্তী ফাউন্ডেশনের কর্মী গন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান হাসিবুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমজাদ হোসেন,মানব উন্নয়ন সম্পাদক এ টি এম তৌফিক সোয়ার চপল,দপ্তর সম্পাদক গোলাম সোয়ার মিলন, লালপুর পাবলিক লাইব্রেরির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ প্রমুখ।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]