ফেনীতে জমে উঠেছে পশুর হাট

  • 23
    Shares

ফেনী প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো ফেনীতেও কোরবানির পশুর হাটগুলো শেষ মুহূর্ত জমে উঠেছে। গরু-মহিষ, ছাগলে ও ভেড়া ভরে গেছে হাট। বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্রেতারাও হাটে ভীড় জমান। পছন্দের গরু-ছাগল কিনতে হাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ক্রেতারাও। গত কালে চেয়ে আজ শনিবার পশুর বেচাকেনা আরো বেশি হবে বলে বিক্রয়তা আশা করছেন।


শুক্রবার জেলার অনেক গুলো বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবার হাটে দেশী গরু বেশি। ক্রেতাদের পছন্দ দেশি গরু। মাঝারি গরু চাহিদা এবার বেশি।পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়ার হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর চাহিদা আগের তুলনায় কম।বাজারে নির্ধারিত স্থান ছাড়াও স্কুল মাঠ, সড়কে সারি সারি গরু উঠেছে। দেশীয় খাদ্যে লালন-পালন হওয়ায় ওইসব গরুর প্রতি ঝুঁকছেন ক্রেতারা। তবে গতবারের চেয়ে এবার পশুর দাম মাঝামাঝি রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিছুর রহমান বলেন, এ বছর জেলায় কোরবানির চাহিদা প্রায় ৮৫ হাজার পশু। স্থানীয় লোকজন ও খামারিদের কাছে পশু মজুত আছে ৮৮ হাজার ২৯৮টি। প্রায় ৩ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। জেলার ৫০টি হাটে পশুর রোগবালাই পরীক্ষার জন্য মেডিকেল টিম কাজ করছে। জেলার ছয়টি উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মেডিকেল টিমের কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানির হাটগুলোতে এবার গতবারের তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরু ও মহিষের চাহিদা অনেক বেশি। । দেশী গরু কিনতে বেশী আগ্রহী ক্রেতারা। ক্রেতারা ছুটছেন ছোট ও মাঝারি আকৃতির দেশী গরু ও ছাগলের দিকে। ফেনী মডেল থানার ওসি মো: আলমগীর হোসেন জানান, সদর উপজেলায় ৩৮টি কোরবানীর পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি হাটে অস্থায়ী বুথ তৈরি করে এবং বাকীগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে।


  • 23
    Shares

বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।