ফের বাগযুদ্ধে আফ্রিদি-গম্ভীর


স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি এবং ভারতের সাবেক ওপেনার ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক সাপে-নেউলে। নিয়মিত বিরতিতে নানা ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাকবিতণ্ডায় অবতীর্ণ হন তারা। ফের লেগে গেল দুজনের।

সম্প্রতি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কট্টর ভাষায় আক্রমণ করেন আফ্রিদি। দেশপ্রধানকে এমন ন্যক্কার আক্রমণের জন্য এবার তাকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন গম্ভীর। বুমবুমখ্যাত ক্রিকেটারকে ‘জোকার’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

সম্প্রতি পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ত্রাণ বিতরণ করতে যান আফ্রিদি। সেখানেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে কটূক্তি করেন তিনি। পাকিস্তানি তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ভারতের দখলে থাকা কাশ্মীরের বেশিরভাগ মানুষই পাকিস্তানের পক্ষে। জোর করে ওই এলাকা কব্জায় রেখেছে ভারত। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধর্মের রাজনীতি করছেন। তার মস্তিষ্কে করোনাভাইরাসের চেয়েও ভয়ঙ্কর রোগ আছে।

ইন্টারনেটের বদৌলতে মুহূর্তেই সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। তাতে তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন ভারতীয়রা। ফুঁসে ওঠেন গম্ভীরও। রোববার এক টুইটবার্তায় তিনি লেখেন– ১৬ বছরের বাচ্চা ছেলে আফ্রিদি বলছে, পাকিস্তানের ৭ লাখ সেনা রয়েছে। সেখানে ২০ কোটি মানুষ রয়েছে, সেদেশই আবার ৭০ বছর ধরে কাশ্মীরের পেছনে পড়ে রয়েছে। আর ভারতের কাছে ভিক্ষা চেয়েই চলেছে। আফ্রিদি, ইমরান খান ও বাজওয়ার মতো জোকার পাকিস্তানের লোকজনকে বোকা বানাতে মোদির নামে বিষ ছড়াচ্ছে। তবে জেনে রাখা ভালো– কাশ্মীর তারা কোনো দিনই পাবে না। বাংলাদেশের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই?

শুধু গম্ভীরই নন; আফ্রিদির এ রকম জ্বালাময়ী মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং এবং অফস্পিনার হরভজন সিং। কয়েক দিন আগেই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশনে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান তারা। এবার তার সঙ্গে চিরতরে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছেন যুবি-ভাজ্জি।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/ইন্ডিয়া টুডে


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]