বগুড়ায় বড় ভাইয়ের পর ছোট ভাইয়ের আত্মহত্যা!

  • 1
    Share

ডেস্ক রিপোর্ট ॥
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ছিল বিয়ের আশীর্বাদের দিন। সোমবার সে মতে প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। তবে রাতের কোনও এক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কম্পিউটার সায়েন্সের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী জয়ন্ত কুমার সাহা অনু (২৪)। বগুড়া শহরের শিববাটি এলাকায় ভান্ডারি সিটি-১ এর বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।

স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা ও কল্পনা রানী সাহার দুই ছেলে ছিল। বড় ছেলে বিজয় কুমার সাহা বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজে পড়তেন। গত ২০১৮ সালে ফাইনাল পরীক্ষার ভাইবাতে ফেল করেন। এরপর তিনি হার্টব্লকের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে। একইপথে ছোট ছেলে অনুও সোমবার চলে গেলো। মঙ্গলবার সকালে টের পেয়ে বাবা-মা দরজা ভেঙে রশি কেটে লাশ নামান।

ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, সুরতহাল শেষে অনুর মরদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নিহতের বাবা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, আত্মহত্যার আগে অনু একটি চিরকুট রেখে যান। তাতে লেখা ছিল, ‘তোরা টাকা নিয়ে থাকিস’। তবে এ চিরকুটের বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়নি।

অনুর ফুফা কাপড় ব্যবসায়ী কালা চাঁদ সাহা জানান, বড় ভাইয়ের আত্মহত্যার দুই বছর পর ছোট ভাই একই পথ অনুসরণ করলো। তবে তিনি প্রকৌশলীর দুই ছেলের আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

লেবু নামে প্রতিবেশী জানান, ওই পরিবার কারও সঙ্গে মেলামেশা না করায় তাদের দুই ছেলের আত্মহত্যার বিষয়ে তারা কেউ কিছু বলতে পারছেন না।


  • 1
    Share

[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]