মনীষীদের স্মরণে এরপর টয়লেটের নামকরণ হবে?


প্রাচুর্য রানা : গোটা বিএম কলেজে একটি ছাত্রাবাস ছাড়া জীবনানন্দ দাশের নামে আর কোন কিছু খুঁজে পাওয়া দুস্কর। একটি চত্বর আছে, সম্প্রতি জীবনানন্দ অনুরাগী এই কলেজের প্রাক্তন কয়েক শিক্ষার্থী এই নামকরন করেছেন। তবে এর কোন নথিপত্র বা কলেজ কর্তৃপক্ষ এর স্বীকৃতি দিয়েছেন কিনা জানা নেই। যে কলেজে জীবনানন্দ দাশ অধ্যায়ন করেছেন, অধ্যাপনা করেছেন সেই কলেজের একটি একাডেমিক ভবন, বা সেমিনার, বা গ্রন্থাগার, বা নিদেনপক্ষে একটা ক্লাস রুমের নামও জীবনানন্দ দাশের নামে নামকরনও করতে পারে নি কর্তৃপক্ষ।

যা হোক দীর্ঘদিন পর হলেও কর্তৃপক্ষের জীবনানন্দ দাশের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। তারা অনেকদিন ধরে অচল থাকা ক্যান্টিনকে নতুন মোড়কে চালু করেছেন। ১২ মার্চ বেশ আয়োজন করে অধ্যক্ষ ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন। যার নাম দেয়া হয়েছে ক্যাফে জীবনানন্দ। আমি জানিনা, হয়তো জীবনানন্দ দাশের খাওয়া দাওয়া, হোটেল রেস্তোরাঁ, ক্যাফেটেরিয়ার প্রতি অনেক প্রেম ভালোবাসা ছিল, সেখান থেকেই কর্তৃপক্ষ নামকরনের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতোদিন পরে হলেও কর্তৃপক্ষ আজ যখন জীবনানন্দ দাশের নামে কেন্টিনের নামকরন করার মতো কাজ করে ফেলেছেন, তাহলে ধরে নেয়া যায় এর পরে সাইকেল গ্যারেজ, টয়েলেটের নামকরনে আরোসব মনীষীদের স্মরন করবেন কর্তৃপক্ষ।

প্রাচুর্য রানা, ব্যুরো প্রধান, চ্যানেল২৪, বরিশাল


বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।