মনোনয়ন বাতিল ঐক্যজোট গঠন, নির্বাচন হবে ফেসবুকে


নির্বাচন কমিশন কর্তৃক মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তিনজন ‘বিখ্যাত’ প্রার্থীর। তারা হলেন ওয়ার্ল্ড ফেমাস সেলিব্রেটি হিরো আলম, নব্য পল্টিবাজ গোলাম মওলা রনী এবং ইমরান এইচ সরকার। এরকম সংবাদ প্রকাশের সাথে সাথে সারাদেশে বইছে আলোচনার ঝড়। এই তিন প্রার্থী এখন কী করবে? নির্বাচন-খেলায় মাঠে নামা হবে না তাদের? দেখতে হবে গ্যালারিতে বসে? সংসদে যাওয়ার স্বপ্ন রয়ে যাবে স্বপ্নই?

 

দেশ ও জনগণের জন্য করা হবে না কোনো কাজ? সবাই যখন আছেন এমন নানান কনফিউশনে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া সেই খবরটি হলো, হিরো আলম, ইমরান এইচ সরকার এবং গোলাম মওলা রনি এবার এক হচ্ছেন। তিনজন এক হয়ে তারা গড়তে যাচ্ছেন- ‘মনোনয়ন বাতিল ঐক্যজোট’। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তারা লড়বেন এই জোটের হয়ে। কিন্তু আপনাদের মনোনয়ন তো বাতিল করা হয়েছে, এমন প্রশ্ন করা হলে জোটের অংশীদার ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘দেখুন আমাদের নির্বাচনের পদ্ধতিটা হবে একটু আলাদা। আমরা রাস্তায় নেমে, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়ার সিস্টেমে যাব না।

 

আমরা জানি বর্তমানে সমাজের ভেতরে আছে আরেকটা সমাজ। যেটাকে বলে সোশ্যাল মিডিয়া, সহজ বাংলায় ফেসবুক। হ্যাঁ, আমরা নির্বাচন করবো ফেসবুকেই। জিতলে ফেসবুকেই গঠন করা হবে সরকার। এখন শুধু দরকার দেশীয় আইডিগুলোর সমর্থন।’ কিন্তু কীভাবে হবে নির্বাচন? জনতা ভোটই বা দেবো কিভাবে? এ বিষয়ে মুখ খোলেন জোটের আরেক শরিক গোলাম মওলা রনি। তিনি জানান, ‘আমরা তিনজনই কিন্তু ফেসবুক সেলিব্রেটি। আলম ভাই, ইমরান ভাই বা আমার প্রত্যেকের আইডি বা পেজেই বহু ফলোয়ার আছে।

 

সুতরাং আমরা ত্রিশে ডিসেম্বর সকালেই যার যার আইডি থেকে পোল খুলে ভোট নেব। এছাড়াও দেব পোল টাইপ স্ট্যাটাস। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় স্ট্যাটাসে লেখা হবে, “সবাই ভোট দিন। দেখি কে জিতে? এই স্ট্যাটাসে জনগণ খুব সহজ ও ইভিএমের থেকেও আধুনিক পদ্ধতি ফেসবুক রিয়্যাক্টের মাধ্যমে তাদের ভোট দিবে। দিনশেষে রিঅ্যাক্ট যোগ করে আমরা ফলাফল ঘোষণা করব।’ কিন্তু এই পদ্ধতি কতটা বিজ্ঞানসম্মত এরকম প্রশ্ন করলে তিনি জানান, বিশ্বের বহু দেশে নাকি এই পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন হয়, সরকার গঠন হয়।