মাদকের ছোবলে ধ্বংসের পথে বাংলাদেশের যুবসমাজ

  • 218
    Shares

আরিফুুুুল্লাহ নূূূরী : অপসংস্কৃতি ও মাদকের ছোবলে ধ্বংসের পথে বাংলাদেশের যুবসমাজ। উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা নেশায় আসক্ত হচ্ছে, অশ্লীলতার ছোবলে হারাচ্ছে নৈতিকতা। অবশেষে পরিবার ও সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে তারা। আর এর পেছনে কারণ হিসেবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাব রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

কেন ইয়াবা মরণনেশা!
ইয়াবা: অর্থ পাগলা ঔষধ, একধরনের নেশাজাতীয় ট্যাবলেট।
এটি মূলত মেথঅ্যাম্ফিটামিন ও ক্যাফেইন এর মিশ্রন।কখনো কখনো এর সাথে হেরোইন মেশানো হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি খাওয়ার বড়ি হিসাবে সেবন করা হয়, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধাতব ফয়েলে পুড়িয়ে ধোঁয়া হিসাবেও এটিকে সেবন করা হয়ে থাকে। এই মাদকটি থাইল্যান্ডে বেশ জনপ্রিয়, এবং পার্শ্ববর্তী দেশ বার্মা থেকে এটি চোরাচালান করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই মাদকের বিস্তার ঘটেছে।

ঢাকায় তিন ধরনের ইয়াবা টেবলেট পাওয়া যায়। প্রথম ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের বেশির ভাগ সবুজ বা গোলাপি রঙের হয়। এর ঘ্রাণ অনেকটা বিস্কুটের মত হয়ে থাকে। দ্বিতীয় ধরনেন ইয়াবা ট্যাবলেট এর দাম তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু এটিও নেশাসৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তৃতীয়ধরনের ট্যাবলেটি আরও সস্তা এবং নেশায় আষক্তদের নিকট এটি ভেজাল বলে পরিচিত।ইয়াবা সেবনকারীদের মধ্যে প্রচলিত ধারণা অনুসারে, চিতা নামের পিলটি সবচেয়ে নিম্নমানের ইয়াবা পিল হিসেবে গণ্য হয়। এর গায়ে ক্ষুদ্র চিহ্ন থাকে। অন্যদিকে গোলাপ জল নামের ইয়াবা পিলকে উচ্চ মান পিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ইয়াবা পিলের গায়ে ইংরেজি ডাব্লিউ ওয়াই (WY) লেখা থাকে। ওয়াই (Y) লেখার ধরন দীর্ঘ হলে এবং ইয়াবার রঙ পুরোপুরি গোলাপি হলে ধারণা করা হয় সেটি ইয়াবা হিসেবে দেখা ভাল মানের।

প্রথমদিকে ইয়াবা যৌনউত্তেজক বড়ি হিসাবে বাজারে পরিচিত ছিলো। কিন্তু দীর্ঘদিন সেবনের ফলে যৌন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। যুক্তরাজ্যের ড্রাগ ইনফরমেশন এর ওয়েবসাইটের তথ্য অণুযায়ী ইয়াবা ট্যাবলেটটি খেলে সাময়িক ভাবে উদ্দীপনা বেড়ে যায়। কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হেরোইনের চেয়েও ভয়াবহ। নিয়মিত ইয়াবা সেবন করলে মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরন, নিদ্রাহীনতা, খিঁচুনি, ক্ষুধামন্দা এবং মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা যেতে পারে। ইয়াবা গ্রহণের ফলে ফুসফুস, বৃক্ক সমস্যা ছাড়াও অনিয়মিত এবং দ্রুতগতির হৃৎস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত হারে ইয়াবা গ্রহণ হাইপারথার্মিয়া বা উচ্চ শারীরিক তাপমাত্রার কারণ হতে পারে।

অভ্যস্ততার পর হঠাৎ ইয়াবার অভাবে সৃষ্টি হয় আত্মহত্যা প্রবণতা এবং হতাশা।দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা খেলে স্মরণশক্তি কমে যায়, সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারও কারও ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, এমনকি অনেকে আত্মহত্যাও করে থাকে। এছাড়া হার্টের ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিঁড়েও অনেকে মারা যান। অনেকে রাস্তায় দুর্ঘটনায় পতিত হন। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকেন। ইয়াবার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিশিষ্ট মনোচিকিৎসক ডা. মোহিত কামাল বলেন, নিয়মিত ইয়াবা সেবনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, নিদ্রাহীনতা, খিঁচুনি, মস্তিষ্ক বিকৃতি, রক্তচাপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন, হার্ট অ্যাটাক, ঘুমের ব্যাঘাত, শরীরে কিছু চলাফেরার অস্তিত্ব টের পাওয়া, অস্বস্তিকর মানসিক অবস্থা, কিডনি বিকল, চিরস্থায়ী যৌন-অক্ষমতা, ফুসফুসের প্রদাহসহ ফুসফুসে টিউমার ও ক্যান্সার হতে পারে।

এ ছাড়া ইয়াবায় অভ্যস্ততার পর হঠাৎ এর অভাবে সৃষ্টি হয় হতাশা ও আত্মহত্যার প্রবণতা। তিনি বলেন, এ মাদক সাধারণ শান্ত ব্যক্তিটিকেও হিংস্র ও আক্রমণাত্মক করে তুলতে পারে। ইয়াবা গ্রহণে হ্যালুসিনেশন ও সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। হ্যালুসিনেশন হলে রোগী উল্টোপাল্টা দেখে, গায়েবি আওয়াজ শোনে। আর প্যারানয়াতে ভুগলে রোগী ভাবে অনেকেই তার সঙ্গে শত্রুতা করছে। তারা মারামারি ও সন্ত্রাস করতেও পছন্দ করে।

বাংলাদেশ ইরা:
বাংলাদেশে ইয়াবার আবির্ভাব ঘটে ১৯৯৭ সালে । পরবর্তীতে ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকণাফ সীমান্ত দিয়ে মায়ানমার থেকে ইয়াবা আসতে শুরু করে। এই ট্যাবলেটের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হবার কারণে উচ্চবিত্তদের মাঝেই এটি মূলত: বিস্তার লাভ করে।

মিয়ানমার ইরা:
মিয়ানমারে ওয়া এবং কোকাং নামের আদিবাসী সম্প্রদায় মেথাম্ফেটামিন পিল বা ইয়াবা এর সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী। এই দুই গোষ্ঠীর লোকজন পূর্বে আফিম এবং হেরোইন উৎপাদন এর সাথে জড়িত ছিল। উল্লেখ্য যে মিয়ানমারে খুব সাধারণ ল্যাবরেটরিতেও মাত্র ২০ হংকং সেন্টের বিনিময়ে প্রতিটি ইয়াবা পিল তৈরি করা হতো। ২০০০ সালে থাইল্যান্ডের সরকার মিয়ানমার সরকারকে সীমান্তে যৌথ টহলের জন্য ব্যাপক চাপ দেয়। মূলত থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান ২৪০০ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা র চোরাচালান ব্যাপক চোরাচালান রোধের জন্য এই চাপ প্রয়োগ করা হয়।

থাইল্যান্ড ইরা:
থাই সরকার ১৯৭০ সালে ইয়াবা ট্যাবলেটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেসময় এটি সেদেশে পেট্রল পাম্পে বিক্রি হতো, এবং থাই ট্রাক চালকেরা জেগে থাকার জন্য এটা ব্যবহার করতো। ইয়াবাসেবী ট্রাক ও বাস চালকদের হাতে অনেক গুলো ভয়াবহ বাস দূর্ঘটনা ঘটেছে। থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০৩ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। এর পর থেকে থাইল্যান্ডে এই মাদকের প্রকোপ কমে এসেছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে, দেশের সর্বত্র মাদকের ছড়াছড়ি। ঘরের বাইরে বেরিয়ে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও অ্যালকোহল। প্রতিদিনই ধরা পড়ছে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী। কিন্তু কোনভাবেই দমন করা যাচ্ছে না। ঢাকা মহানগর পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, রাজধানীতে প্রতি মাসে মাদক সংক্রান্ত প্রায় ৮ হাজার মামলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন পর্যায়ে মাদকের কুপ্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তথ্য মতে, দেশের বিভিন্ন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে প্রায় ১২ হাজার ৩০৪ জন মাদকাসক্ত চিকিৎসাধীন। এদের বেশিরভাগই ইয়াবার নেশায় আসক্ত। এর বাইরে হেরোইন, প্যাথেড্রিনসহ নানা ধরনের মাদকাসক্তরাও রয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইয়াবা ট্যাবলেটের পরিবহন ও সেবন সহজ হওয়ায় সহজেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়ানো যায়। এ কারণে এই নেশার চোরাচালান বাড়ছে। পাশাপাশি ইয়াবা আসক্তদের সংখ্যা বাড়ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মাদকাসক্তের শতকরা ২৫ ভাগই ইয়াবা আসক্ত। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করেছে? এর বাইরে র‌্যাব, পুলিশ এবং সীমান্ত এলাকায় বিজিবি মাঝে-মধ্যেই বড় বড় ইয়াবার চালান আটক করেছে। সূত্রমতে, বর্তমানে দেশে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাদকের বাজার। দিনদিন মাদক সেবীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এ দেশে আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ীদের কুনজর পড়েছে। শুধু তাই নয়, মাদকের ট্রানজিট রুট হিসেবে তারা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছে। আর এ সুবাধে বাংলাদেশের যুবসমাজ ধ্বংসের পথে পা বাড়াচ্ছে।

ইয়াবার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি!
মনে রাখতে হবে, মাদকাসক্তি প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই অতি উত্তম। তাই এই মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা পেতে সামগ্রিক প্রতিরোধ অতীব জরুরী। আসক্ত ব্যকি, যিনি পুনরায় স্বাভাবিক সুস্থ জীবন ফিরে পেতে চায়, তাদের নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। এ কথাটাই সত্য নয় যে, তারা আর কখনই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে না। শুধুমাত্র প্রয়োজন ধৈর্য সহকারে দীর্ঘ মেয়াদী চিকিত্সা। একবার কেউ আসক্ত হয়ে গেলে তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করা, বার বার কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে ভালোভাবে বুঝাতে হবে। শারীরিক চিকিত্সার পাশাপাশি মানসিক চিকিত্সার জন্য মনোরোগ চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। মনে রাখতে হবে অপরাধী নয়, অপরাধই ঘৃণার বিষয়।

 

সবাইকে নিয়েই এই প্রতিরোধ যুদ্ধে নামতে হবে এবং এই যুদ্ধ চলমান রাখতে হবে। গড়ে তুলতে হবে মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন। মাদকের বিরুদ্ধে প্রথমে পরিবারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বাবা-মাকে সন্তানের মধ্যে এমন বীজ বপন করতে হবে, যাতে সে আত্মপ্রত্যয়ী হয়, অশুভকে চিনতে পারে। বাবা-মায়ের কোন কলহ বিবাদ যেন সন্তানকে প্রভাবিত না করতে পারে। তাই পারিবারিক শিক্ষা, যথাযথ অনুশাসন এবং সচেতনতা খুবই জরুরী। দৃঢ় পারিবারিক বন্ধন ও সঠিক শিক্ষা মাদক প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে তাদের জন্য দরকার খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকান্ডে ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সুবিধা এবং এগুলো চর্চা করতে উদ্বুদ্ধ করা।

 

একথা ভুলে গেলে চলবে না, ধর্মীয় অনুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্ম চর্চা অনুশীলন করলে অনেক ক্ষেত্রে সর্বগ্রাসী মাদক বর্জন এবং প্রতিকার করা সম্ভব হয়। প্রায়ই চোরাইপথে এমন সব অভিনব উপায়ে ইয়াবার চালান আটক হয় যে তা পত্রিকার পাতায় পড়লে রীতিমতো শিহরণ জাগে। ইয়াবার ব্যবসায় প্রায় সব শ্রেণি-পেশার লোক জড়িত রয়েছে। অল্প সময়েই টাকার পাহাড় গড়া যায় বলেই এই ব্যবসায় এত আকষর্ণ। কোটি কোটি টাকার পাহাড়, আলিশান বাড়ি, দামি গাড়ির লোভ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে ইয়াবার ব্যবসায় নামাচ্ছে। এটা এমন একটি চেইন যেখানে উপর থেকে একেবারে তৃণমূল পযর্ন্ত মাদকাসক্তের হাতে পউছে যাচ্ছে। তার খুব কম পরিমাণই আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে।

তা ছাড়া প্রতিদিন জড়িত হচ্ছে নতুন নতুন ব্যক্তি। আর প্রতিদিন আসক্ত হচ্ছে কোনো কিশোর বা যুবক। ইয়াবার বিষ এতটাই ভয়ঙ্কর যে ইয়াবা নিয়ন্ত্রণ করাটা দুঃসাধ্য বলে মনে হচ্ছে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে ইয়াবাই এখন এগিয়ে। এর বিস্তার এত ভয়ঙ্কর আকারে হয়েছে যে তা শিক্ষাথীর্র ব্যাগে পযর্ন্ত স্থান করে নিয়েছে। মাদকে আসক্ত কেন হয়। কেনই বা তারা বই, খাতা, কলম ছেড়ে মাদকের মতো সবর্নাশের পথে পা বাড়ায়। এ ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা কতটুকু সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে। কোনো অন্যায় প্রতিরোধে আইন যথেষ্ট নয়। আইনের সঙ্গে সচেতনতা মিলে রোধ করা সম্ভব একটি অপরাধকে। একটি ধ্বংসযজ্ঞ ঠেকাতে প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে পরিবারকে। তারপর সমাজের সব স্তরের মানুষকে।

আসুন সকলে সচেতন হই, মরণনেশা ইয়াবা থেকে দূরে থাকার জন্য সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি। স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে মাদক তথা ইয়াবা সেবন পরিহার করি।


  • 218
    Shares

বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।