মির্জাগঞ্জে পানিতে ডুবে আছে ১৫ গ্রাম


মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ এর তান্ডবে বেড়িঁবাঁধসহ পায়রা পাড়ের বসবাসরত ঘরবাড়ি ও দোকানপাটের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। পায়রা ও শ্রীমন্ত নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাধঁ ভেঙ্গে প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন কাঁচা-পাকা রাস্তা। পানির নিচে তলিয়ে আছে রবি ফসলের ক্ষেত ও বীজতলা।

মনোহরখালী লঞ্চঘাটের নব নির্মত রাস্তাটি পানির তোড়ে ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে।

এরমধ্যে আয়লা কানকি রামপুর পায়রা নদীর বেড়িঁবাধেঁর রামপুর সিদ্দিকীয়া মাদ্রসা থেকে প্রায় ৩০০ ফুট, চর ছৈলাবুনিয়া ১০০ফুট, গোলখালী স্লুলিস গেট সংলগ্ন ১ হাজার ফুট,পূর্ব সুবিদখালী দো-আনী খালের বাধঁ ছুটে প্রায় দুইশত ফুট,চরখালী গ্রামের আকু দফাদার বাড়ি সংলগ্ন ১০০ ফুট ও মির্জাগঞ্জ মাজার সংলগ্ন ১০০ ফুট বাঁধসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানের বেড়িঁবাধঁ ভেঙ্গে গেছে।

এতে বৃহস্পতিবার জোয়ারের প্রভাবে ভাঙ্গাবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে উপজেলায় প্রায় ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও ৫ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তা ভেঙে গেছে। প্রায় ১৫ হাজার লোক পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে। এছাড়াও ৩০ বসতঘর সম্পূর্ণ ও ৩০০ টি বসতঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরোয়ার হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বেড়িবাঁধ ও ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতির তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরন করা হয়েছে। যেসব পরিবার বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদেরকে উপজেলা প্রশাসন থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন পায়রা নদী তীরবর্তী। ঘূর্নিঝড়ের কারনে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাধঁ ভেঙ্গে গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, ঘূর্নিঝড়ের কারনে মির্জাগঞ্জে যে সকল বাধঁ বিধ্বস্ত হয়েছে তা পরিদর্শন তালিকা তৈরী করে ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]