মুলাদীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের


মুলাদীতে সাড়ে চার বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পরে গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার শিশুর চাচা বাদী হয়ে ধর্ষক ফরিদ খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুলাদী সদর ইউনিয়নের ভাঙ্গারমোনা গ্রামের মৃত তাজেল খানের ছেলে দুই সন্তানের জনক ফরিদ খান (৩০) চকলেট কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে পার্শ্ববর্তী রিপন বেপারীর পরিত্যাক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষন করে। এতে শিশুটি মারাতক রক্তাক্ত হয়ে পড়লে ধর্ষক শিশুকে তাদের ঘরের সামনে রেখে পালিয়ে যায়।

শিশুটির কান্না শুনে তার মা ছুটে এসে কন্যাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে এবং লোক লজ্জার ভয়ে শিশুটির মা গোপনে চিকিৎসা করে বাড়ি নিয়ে যান। শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে গত ৪ অক্টোবর তার মা তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) তে ভর্তি করে। এ ঘটনায় শিশুর চাচা ইলিয়াস হোসেন বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষক ফরিদ খানকে আসামি করে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ফরিদ খানকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অপরদিকে শিশু ধর্ষনের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই মহলটি ২লক্ষ টাকায় রফাদফা করার লক্ষে শিশুর মায়ের কাছ থেকে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে বলে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা মুলাদী থানার এসআই ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান ধর্ষনের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে শালিস বৈঠকের জন্য স্ট্যাম্পে লিখিত হয়েছিলো, যা উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যহত রয়েছে।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]