মেহেরপুরে গৃহবধুকে পুড়িয়ে হত‍্যার অভিযোগ


স্টাফ করেসপনডেন্ট, মেহেরপুর : মেহেরপুরে রুবিনা খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধুর আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে মৃত অবস্থায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে তার মরদেহ ফেলে পালিয়েছে স্বামী।

যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রুবিনার পিতার পরিবারের।

তবে রুবিনার স্বামীর ভাড়া বাসা এলাকার মানুষের দাবি, গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছে রুবিনা। রুবিনা খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার টেঙ্গারমাঠ গ্রামের রবগুল হোসেনের মেয়ে।

পার্শবর্তী মনোহরপুর গ্রামের মিলন হোসেনের সাথে চার বছর আগে রুবিনার বিয়ে হয়। নিহত রুবিনা খাতুনের দুই বছর বয়সী এক কন্যা শিশু রয়েছে। স্বামী মিলন হোসেন একটি এনজিওতে মাঠকর্মী হিসেবে চাকুরির সুবাদে গাংনী উপজেলার বামন্দী বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এই দম্পত্তি।

রুবিনার নানী ও এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, টাকার জন‍্য রুবিনাকে প্রায়ই মিলন নির্যাতন করতো। ইতোপূর্বে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আবারও সে টাকার জন‍্য চাপ দিতে থাকে। একবার রুবিনা-মিলনের তালাকও হয়েছিল পরে স্থানীয়ভাবে মামাংসা করে তারা আবার সংসারজীবন শুরু করে। টাকা দিতে না পারায় রুবিনাকে পুড়িয়ে হত‍্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ হাবিবুর রহমান বলেন, রুবিনার শরীরের আশি শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে। তার শরীরে তেলের কোন গন্ধ পাওয়া যায়নি তবে তরল কোনকিছু দিয়ে পুড়েছে।

গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমান বলেন, বামন্দী এলাকায় মিলনের ভাড়া বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ড না আত্মহত্যা তা তদন্ত করা হচ্ছে।


[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]