যৌণ হয়রানির অভিযোগে ভোলায় কলেজের শিক্ষক আটক


ভোলায় ছাত্রীদের যৌন নিপিড়ণের অভিযোগে শহীদ জিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ইসলামী শিক্ষার শিক্ষক মো. ইউনুছ শরীফকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার গভীর রাতে শহরের গোরস্থান সড়কের তার নিজ বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে। আটককৃত ইউনুছ শরীফের বিরুদ্ধে ওই স্কুলের ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, কোচিংয়ের নামে ছাত্রীদের জিম্মি করে টাকা আদায়, সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশন তৈরী করাসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

ভোলা জেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সেক্রেটারী বর্তমানে জামায়াত নেতা মো. ইউনুছ শরীফ ইসলামী শিক্ষার শিক্ষক হিসেবে শহীদ জিয়া স্কুল এন্ড কলেজে চাকুরী করছেন। তিনি যোগদানের পর থেকেই একের পর নারী কেলেঙ্কারীসহ নানা অপর্কম জড়িয়ে পড়েন। সর্বশেষ ২০১৮ সালে বার্ষিক পরীক্ষার আগের দিন ২৭ নভেম্বর স্কুলের দোতলায় এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (বর্তমানে অষ্টম শ্রেণিতে) যৌণ নিপিড়ণ করে। নির্যাতিত ছাত্রীর পরিবার এ বিষয়ে স্কুল প্রধানকে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে ওই ছাত্রীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখেয়ি বিষয়টি তাৎক্ষণিক ধামাচাপা দেওয়া হয়।

 

জানা গেছে, ওই ঘটনায় রোববার রাতে গোয়েন্দা পুলিশ ইউনুছ শরীফকে তার গোরস্থান রোডের বাসা থেকে আটক করে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সোমবার দুপুর ২টা) গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আটক করেছেন ইউনুছ শরীফ। এছাড়া শহীদ জিয়া স্কুলটি ২০০৫ সালে কলেজে উন্নিত করার সময় তৎকালিন সভাপতি ও জেলা প্রশাসকসহ কমিটির বিভিন্ন সদস্যের স্বাক্ষর জাল জালিয়াতির মাধ্যমে রেজুলেশন করারও অভিযোগ রয়েছে ইউনুছ শরিফের বিরুদ্ধে। ভোলা ডিবি’র ওসি শহিদুল হক ইউনুছ শরিফকে আটকের সত্যতা স্বীকার করেছেন। ##


বরিশালট্রিবিউন.কম’র (www.barisaltribune.com) প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।