জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষিত

৪০ বছর ধরে বেদখলে শার্শার কাছারি-বাড়ির সরকারি জমি

  • 6
    Shares

শার্শার কাছারি-বাড়ির সরকারি জমি

বেনাপোল প্রতিনিধি : প্রায় ৪০ বছর ধরে বেদখলে যশোরের শার্শার কাছারি-বাড়ির সরকারি জমি। এ জমি উদ্ধারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বারবার মামলার নির্দেশনা দেয়া হলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

শার্শার ৩৫ শতক জমি পূর্ব পাকিস্থান প্রদেশের পক্ষে কালেক্টর যশোরের নামে কাছারি-বাড়ি রাস্তার জমি। ১৯৮১ সালে এই জমির বন্দোবস্ত নেন ফজলুর রহমান। পরে কয়েকজন ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজশে নিজের নামে রেকর্ড করে সেখানে বসবাস শুরু করেন। আজও উদ্ধার করা যায়নি এলাকার মানুষের ব্যবহারের এই জমি। হুমকির ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতেও সাহস পাননা। দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে চিঠি ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পরও মামলা না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী আরও জানান, তারা মাঝে মাঝে বলে এই রাস্তা দিয়ে কেউ যেতে পারবে নাভ এটা আমাদের ব্যাক্তি সম্পত্তি। আমাদের একটাই দাবি রাস্তা যেন আবার সরকারি হয় এবং সরকারি রাস্তায় যেন আমরা হাঁটতে পারি।

তবে জায়গা নিজেদের দাবি করে তা ধরে রাখতে বিভিন্ন মহলে দেনদরবার করছেন অভিযুক্তর ফজলুর রহমান। তিনি জানান, সরকার এটা আমাদেরকে বন্দোবস্ত দিয়েছে, তারপর আমরা চীরস্থায়ী মালিকানা হয়েছি।

শার্শা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, একটি ভূয়া খতিয়ান হয়েছে, পরবর্তীতে আরও যাছাই করে দেখা যায় যে, তাদের কবলিয়াত রয়েছে তাও ভুয়া ও ত্রুটিপূর্ণ। এ ব্যাপারে আমরা মামলা দায়ের করেছি।

শার্শা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসনা শারমিন মিথি বলেন, মামলা তো করবেন ডিসি সাহেব, মামলা তো আমরা করবো না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি, এছাড়া আমাদের আরও কিছু করার নেই।

কাছারি-বাড়ির সরকারি জায়গা যেন ব্যক্তি মালিকানায় না যায়, তার জন্য জরুরি ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের।


  • 6
    Shares

[প্রিয় পাঠক, আপনিও (www.barisaltribune.com) বরিশালট্রিবিউনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার এলাকার যে কোন  সংবাদ, লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-barisaltribune@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]