২০শে মে, ২০১৯ ইং, সোমবার

ভোলায় পাঁচ হাজার বাস্তুহারার ঠিকানা গুচ্ছগ্রাম

আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ভোলা জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের প্রায় ৫ হাজার বাস্তুহারা জনগোষ্ঠীর পূর্ণবাসন করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে।

জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার চর জহির উদ্দিন, চর মোজাম্মেল, মনপুরা উপজেলার চর নিজাম ও চরফ্যাসন উপজেলার চর হাসিনা এবং চর মনোহরে প্রায় ৫ হাজার হতো-দরিদ্র পরিবারকে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে ১টি করে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এসকল হতোদরিদ্র পরিবারের মাঝে গৃহপালিত হাস-মুরগি ও গরু-ছাগল পালনের জন্য সরকারি ভাবে ঋণ প্রদান করা হয়।

চরফ্যাসনের কুকরী মুকরী গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের বাসিন্দা আমেনা বেগম (৪৯) বলেন, ‘নদী ভাঙ্গার পরে বেড়ি বাধে পরিবার নিয়ে গৃহহীন অবস্থায় বাস করতাম বর্তমান সরকারের গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে একটি টিনের ঘর পেয়ে পরিবার নিয়ে সুখে বসবাস করছি।’

তজুমদ্দিন উপজেলার চর জহির উদ্দিন ও চর মোজাম্মেল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ‘মেঘনা নদীর ভাঙ্গনে গৃহহারা হয়ে চরে এসে বসবাস করি, বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনার গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প আমাদেরকে ঘর না দিলে আমাদের খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হত।’

চরফ্যাসন উপজেলার কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন জানান, বর্তমান সরকারের গুচ্ছগ্রাম আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে কুকরী-মুকরী ইউনিয়নে ২৫০টি গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে, হতদরিদ্র মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার ১লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ১টি করে ঘর পেয়ে এলাকার ছিন্নমূল মানুষেরা অনেক খুশি।

জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ভোলা ৭টি উপজেলায় ২৫০টি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে ৫ হাজার দরিদ্র পরিবারকে পূর্ণবাসন করার কাজ চলছে, কিছু প্রকল্পের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে এবং কিছু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মাহাবুব আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দিক নির্দেশনায় সারাদেশে ৫০ হাজার দরিদ্র পরিবারকে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আওতায় পূর্ণবাসনের কাজ চলছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
মে ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« এপ্রিল    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
Website Design and Developed By Engineer BD Network