সংবাদ শিরোনাম :
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িতে হামলার দায়ে নানকের ভিসা বাতিল?   ⏺️  কমিশনার-ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট   ⏺️  রাঙ্গাবালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৫ জন আসামি, গ্রেফতার ২০   ⏺️  ভোটাররা যদি কেন্দ্রে যেতে না পারেন সেজন্য সরকার দায়ী থাকবে   ⏺️  নির্বাচন কমিশন ব্যথিত-বিব্রত: সিইসি   ⏺️  মোহাম্মদ জসিম-এর পাঁচটি কবিতা   ⏺️  নিখোঁজের তিন দিন পর মেহেন্দিগঞ্জের ওষুধ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার   ⏺️  নোয়াখালীতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে খুন   ⏺️  চলচ্চিত্রকার খিজির হায়াৎ হত্যার পরিকল্পনাকারী দুই জঙ্গি রিমান্ডে   ⏺️  তুরস্কে পুলিশ বিভাগে গোলাগুলি, রাজ্য পুলিশপ্রধান নিহত

শিল্পমন্ত্রী আমু’র পাঁচ বছরে সম্পদ বেড়েছে ২৬ গুণ


অনলাইন ডেস্ক  || বরিশালট্রিবিউন.কম ||   প্রকাশিত:  ডিসেম্বর ৫, ২০১৮


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু তার হলফনামায় নিজ নামে দুটি বাড়ির অবস্থান দেখিয়েছেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলোএসব বাড়ি তৈরির কোনো খরচ তিনি তাতে দেখাননি। এ ছাড়া গত পাঁচ বছরে শেয়ারবাজারে তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ২৬ গুণ।

গত নির্বাচনের সময় হলফনামায় আমির হোসেন আমুর অকৃষিজমির মূল্য ৯৪ লাখ টাকা দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তখন ওই জমিতে কোনো বাড়ি বা দালান ছিল না তার। কিন্তু সাম্প্রতিক হলফনামায় তিনি সেই জমিতে নিজের নামে দুটি বাড়ি থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। জমিসহ এর মূল্য দেখানো হয়েছে ৯৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ জমির দাম একই থাকলেও বাড়ির মূল্য তাতে দেখানো হয়নি। এ ছাড়া শেয়ারবাজার, ঋণপত্র ইত্যাদি থেকেও তার সম্পদ প্রায় ২৬ গুণ বেড়েছে। এ খাতে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ টাকা হয়েছে। অথচ আগের হলফনামায় এতে তার সম্পদ ছিল মাত্র ২ লাখ টাকা।

শেয়ারবাজার, ব্যাংক আমানত থেকে আমুর আয়ও প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। বর্তমানে এই খাতে তার আয় ৫২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ টাকা হলেও আগে তা ছিল ৭ লাখ ৬২ হাজার ১৮৭ টাকা। কৃষি খাত, বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে তার আয় ১৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। এমনকি তার উৎসহীন আয়ও বেড়েছে ২৮৬ শতাংশ। আগে তার উৎসহীন আয় ছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৬০ হাজার ৫৭৩ টাকা।

অস্থাবর সম্পত্তিতে তার নগদ অর্থ ২ লাখ ৭৫ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থ ১ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ২১৫ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩ টাকা। এ ছাড়া তার রয়েছে ৫ লাখ টাকার বিভিন্ন যানবাহন, ১ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার এবং ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।